সংবাদ
সাউদার্ন পয়েন্ট
লেখক (Author)
নুছরা বিনতে মাও. হোসাইন আহমদ
১ জানুয়ারি, ২০২৩
.png)
মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টিকুলের অনেক মাখলুকাত দেখতে খুব সুন্দর তবে কিছু মাখলুকাত অন্যতম সুন্দর ও চমৎকার। তন্মধ্যে অন্যতম আমাদের প্রাণের দ্বীপ শাহ পরীর দ্বীপ। তা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। এই দ্বীপে অনেক মনোরম দৃশ্য আছে যা উপভোগ করার মতো। এই দ্বীপের মধ্যে বাজার পাড়া নামে একটি গ্রাম আছে তা আরো সুন্দর ও মনোহরা। এই পাড়ার লোকদের মন মানসিকতা অনেক ভালো; তারা খুব খোদাভীরম্ন ও ধার্মিক। আমাদের গ্রামে দিনদিন শিক্ষার হার বাড়ছে। মানুষ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। আমাদের গ্রামে আছে প্রাইমারী স্‥ুল ও হাজ্বী বশির আহমদ হাইস্‥ুল । যে স্‥ুলে লেখাপড়া করে অনেক ছাত্র ছাত্রী আমাদের গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করছে। দেশের বিভিন্নস্থানে তারা প্রতিষ্ঠিত। আমাদের গ্রামে আছে বাহারম্নল উলুম বড় মাদরাসা । যেখানে পড়ালেখা করে আজ অনেক শিক্ষাথীর্ দেশের বাইরেও ইসলামের খেদমত আঞ্জাম দিচ্ছে। বর্তমানেও অনেক ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা করে। আমাদের গ্রামের ছোট ছোট শিশুরা সকালবেলা নুরানী মাদরাসায় যায়; তাদের মুখে কুরআনের বাণী শুনলে মনে আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি হয়। কতো শিশু গ্রামের মেঠোপথ পাড়ি দিয়ে স্‥ুলে যায়! শিক্ষার জন্য তাদের যাওয়াটা দেখলে খুব ভালো লাগে। কারণ তারা একদিন বড় হবে; অনেক বড়। সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজে নেতৃত্ব দিবে। শিক্ষিত মানুষের নেতত্বে ও অশিক্ষিত মানুষের নেতৃত্বে অনেক ব্যবধান আছে। আমাদের গ্রামে আছে একটি জেটিঘাট। যে ঘাট হতে মায়ানমার হতে অনেক গরম্ন মহিষ আসতো। যে কারণে গ্রামের অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হতো। জীবন নিয়ে সংগ্রাম করা মানুষের আর কষ্ট হতো না। কিন্তু এখন আর সেই ঘাট দিয়ে গরম্ন মহিষ আসে না। এখন জেটিঘাট পড়ে আছে ; পড়ে আছে গরম্ন রাখার করিডোর। এগুলির শূন্য পড়ে থাকা দেখে মনে দুঃখ আসে। কেউ কি দেখার নেই?! আমাদের গ্রামে আরেকটি নতুন পর্যটন এরিয়া হয়েছে। তার নাম সাউদার্ন পয়েন্ট। সাউদার্ন পয়েন্টের ভেতরের দৃশ্যগুলি খুবই মনোরম ও ‣শল্পিক। এখনো শত শত পর্যটক বিকেলবেলা ওখানে ভীড় করে। কারণ ঐ জায়গায় দাঁড়িয়ে একসাথে নাফনদী ও বঙ্গোপসাগর দেখা যায়। বিকেলবেলা সূর্যের কিরণ সাগরের পানির ওপর গা হেলিয়ে নাফ নদীতে এসে খেলা করে। কতো মনোমুগ্ধকর ঐ দৃশ্য।
মাদরাসার নিয়মিত প্রকাশনা এবং সর্বশেষ খবরাখবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

