Article
কী উত্তর দেবো?
লেখক (Author)
নূর কলিমা
৮ মে, ২০২৫
হে বিশ্বের মুসলিম শাসকগণ! আজ আপনারা চুপ কেনো? আপনাদের মুখ আজ তালাবদ্ধ কেন? ফিলিস্তিনের প্রতিটি শিশুর কান্না মানবজাতির জন্য ব্যর্থতা ছাড়া বৈ কিছু না। নিরস্ত্র মানুষের রক্তে যদি বিশ্ব নিরব থাকে, তাহলে মানবতা কোথায় বন্দি আজ? যেখানে শিশুরা যুদ্ধের শিকার সেখানে নিরবতা হচ্ছে অপরাধ। আমার এই কথা শুধু আজ মুসলমান বলে নয়; আমি মানুষ বলেই আমি ফিলিস্তিনের পক্ষে; মানবতার পক্ষে। আজ যারা বিশ্ব শান্তির কথা বলে মুখে ফেনা তুলে তারা কেন ফিলিস্তিন ইস্যুতে নীরব? কেনো তাদের পরোক্ষ মদদে ফিলিস্তিনের মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে বোমা আর বোমা। হে বিশ্বের মুসলিম শাসকগণ! ফিলিস্তিনের প্রতিটি ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল আর আমাদের ঘরে আয়েশি জিন্দেগী ও নীরবতা। এই নীরবতায় সবচেয়ে বড় অন্যায়। কেবল চোখের জল আর দোয়া করে বসে থাকলে কি দায়িত্ব আদায় হয়ে যাবে? ঈমানী দূর্বলতার কারণে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও অন্ত্মত মজলুমের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আজ তারা কাঁদছে; কালের বিবর্তনে আগামিকাল আমরা কাঁদবো। ফিলিস্তিনের প্রতিটি চোখ আজ জিঙ্গেস করছে, কোথায় তোমরা? কোথায় আমাদের দ্বীনি ভইয়েরা? হে বিশ্বের মুসলিম শাসকগণ! ফিলিস্তিনীদের জন্য কান্না করো না; জেগে ওঠো, গর্জে ওঠো; আওয়াজ তোলো। এখন আর স্স্নোগান নয়; সম্মিলিত প্রতিরোধ। মনে রেখা! আমাদের আজকের নীরবতা জালিমদের জন্য সাহস। তুমি যতো চুপ থাকবে তত শিশু মরবে; তত মায়ের কান্না বাড়বে। যে শিশুটি গাজার ধ্বংস্তুপে কাঁদছে সে আমাদের নীরবতাকে ধিক্কার দিচ্ছে। কাল কেয়ামত দিবসে আল্লাহকে কী উত্তর দেবে? যখন ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহকে নালিশ করবে?
মাদরাসার নিয়মিত প্রকাশনা এবং সর্বশেষ খবরাখবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

