Article
ফিলিস্তিনে জীবনের অর্থ কী?
লেখক (Author)
হালিমাতুস সাদিয়া
৮ মে, ২০২৫
পৃথিবীতে নিয়ম করে যেমন সূর্য ওঠে এবং অস্ত যায়, তেমনি ফিলিস্তিনবাসীর জীবনেও প্রতিদিন নিয়ম করে নির্মমতা নেমে আসে। একসময় তাদের জমি ছিলো, সবুজ বাগান ছিলো; মাথার উপর ছাদ ছিলো কিন্তু কালের বিবর্তনে সব কেড়ে নিয়েছে ইসরায়েল। পৃথিবীর বুকে আজ এক নিষ্ঠুর সময় অতিক্রম করছে ফিলিস্তিনবাসী। মানবতার তোয়াক্কা না করে যখন তখন সাধারণ জনগণ ও নারী শিশুদের ওপর হাজার হাজার টন বোমা বর্ষণ করে ; সেই বোমার আঘাতে শিশু নারীসহ হাজার হাজার মানুষের লাশ পড়ে পুড়ে গিয়েছে। বোমার আঘাতে বাতাসে উড়ে মানুষের লাশ। এ যেনো এক মানবতার ওপরে চুরিকাঘাত। ুওঃ রং চধষবংঃরহব শহড়হি ধং ৃঞযব ঐড়ষু ষধহফ‟ রং ঢ়ৎবংবহঃ রহ ঃযব সরফফষব পধংঃ. ঞযব গধংলরফ-ব অয়ংধ যধাব ধ মৎবধঃ রসঢ়ড়ৎঃধহপব ঃড়ধিৎফং গঁংষরস.চ্ ফিলিস্তিন এখন ধূ-ধূ মরুভূমির নাম। গাজা উপত্যকায় পানি নেই, জ্বালানি নেই, ঔষুধ নেই। এক টুকরো রুটির জন্য গাজাবাসীরা চেয়ে থাকে । হাজার হাজার শিশু পিতৃহীন; হাজার হাজার নারী স্বামীহীন আজ। ধ্বংসস্তূপের নিচে দাঁড়িয়ে কান্নারত শিশুদের অবয়ব কল্পনা করলে বুঝা যায় আজ তারা কতো অসহায়! বিশ্ব মানবতা আজ নীরব। এই নীরবতা অপরাধ। তবুও ফিলিস্তিনের প্রতিটি নাগরিক মৃত্যুকে হাসিমুখে গ্রহণ করছে । এত বুঝা যায়, তাদের ঈমান কতো অটুট। প্রতিদিন বিমান থেকে ফেলা বোমার আঘাতে ধসে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা কিন্তু মুসলিম বিশ্বের শাসকেরা আজ নীরব; শুধু নীরব নয়, তারা পোলাও মাংসে মেতে ওঠে হারহামেশা। ুজড়ংবং ধৎব ৎবধফ ারড়ষবঃ ধৎব নষঁব উবধৎ চধষবংঃরহব ডব ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ ুড়ঁচ্ ফিলিস্তিনিদের হাহাকার আমাদের হৃদয় কেঁপে ওঠে। আজ অসহায়ের মতো যারা নিজের তাজা রক্ত ফিলিস্তিনের মাটিতে বন্যায় পরিণত করেছে আর ছোট শিশুদের কান্নার আওয়াজ মনে হয় পুরো পৃথিবী কেঁপে ওঠে। এই শিশুদের কান্নার ফলে একদিন ফিলিস্তিনে আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়বে।
মাদরাসার নিয়মিত প্রকাশনা এবং সর্বশেষ খবরাখবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

