সংবাদ
চাঁদের বিল
লেখক (Author)
আসমা আক্তার
১ জানুয়ারি, ২০২৩
.png)
তোমার সৃষ্টি যদি হয় এতো সুন্দর; না জানি তুমি কতো সুন্দর। দ্বীপের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা যে এতো সুন্দর তা স্বচেক্ষ অবলোকন না করলে কেউ বুঝবে না; অপূর্ণ ভালোবাসার এক মায়ার ভূমি শাহ পরীর দ্বীপ। প্রতিটি জায়গার একটি কেন্দ্রীয় সৌন্দর্য থাকে; যেখান হতে সৌন্দর্য বিলি হয় প্রতিটি অংশে। যেমন পৃথিবীর ভূ-স্বর্গ বলা হয় কাশ্মীরকে। তেমনি আমাদের দ্বীপের ভূ-স্বর্গ হলো চাঁদের বিল। যেখান হতে ঠিকরে ঠিকরে ঝরে সৌন্দযের ঝিলিক ও অপরূপ মায়ার বন্ধন। সকাল যখন শুরম্ন হয় পৃথিবীর বুকে, চাঁদের বিলে অবস্থিত দারম্নচ্ছ্বকা্ব ফা মাদরাসার মসজিদ হতে সুমদূর সুরে ভেসে আসে ফজরের আজান। সূর্য পৃথিবীতে আলো বিকিরণ করার পূর্বে আজানের ধ্বনি দিয়ে মানুষদের সফলতার দিকে আহবান করে দূর মসজিদ হতে এক মুয়াজ্জিন। অতঃপর হরেক জাতের পাখিরা খোদার তাসবিহ পাঠে মুখরিত হয়ে জাগিয়ে তোলে শিশু কিশোরসহ সবাইকে। দলে দলে সবার মসজিদে যাওয়ার পবিত্র দৃশ্য দেখেতে কার না মন চায়! যা সৌন্দর্য দেখলে মনের ভেতর সৃষ্টি হয় খোদা প্রেমের অমীয় ঝরনা। অতঃপর প্রতিটি ঘরের মেইন দরজায় বসে পরিবারের বৃদ্ধ ও শিশুদের কুরআন পড়া যেনো আল্লাহ তায়ালা জান্নাতি পরিবেশের এক টুকরো দান করেছে চাঁদের বিলে। অতঃপর রাখালেরা শীতকে উপেক্ষা করে গরম্নর পাল নিয়ে সবুজ বিলের দিকে যাওয়ার দৃশ্য মনের অলিন্দে সৃষ্টি করে এক মায়াময় আবহ। সকাল বেলা ঘাসের ওপর শাদ্বল ঘেরা শিশির কণা যেনো স্বগীর্য় কোন রহমতের বারিধারার অংশ। সবুজের দৃশ্যে মানুষের মনের ভেতরে আনন্দের দোলা বয়ে যায়। চাঁদের বিলে ছোট ছোট ঘরে কৃষকদের বসবাস। সবুজ েক্ষত ও নীল আকাশ যেনো প্রকৃতির বুকে নীলাভ এক ললনা। আমদের চাঁদের বিলে রাতের আকাশে জোসনারা লুকোচরি খেলে, জোনাকি পোকা মানুষকে পথ দেখায়। চাঁদের আলোয় পুরো গ্রামকে মনে হয় স্বর্গেও এক খন্ড জমিনের বুকে। তাই আমাদের গ্রামের নাম হলো চাঁদের বিল।
মাদরাসার নিয়মিত প্রকাশনা এবং সর্বশেষ খবরাখবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

